লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপ শেষ ষোলোর ম্যাচটি ঘিরে বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘হয় দুটি ফাউল বা কোনোটিই ফাউল নয়’। রেফারিং এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) এর বিতর্কিত কিছু সিদ্ধান্তের জন্য এই মন্তব্য করা হয়েছে। ধারাভাষ্যকার ও ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, মাঠের নিয়ম ও ভিএআর ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেফারির সিদ্ধান্তের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল ছিল।
মিশরের বাতিল গোল: ম্যাচে মিসর যখন ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল, তখন তাদের একটি গোল ভিএআরের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। গোল হওয়ার প্রায় ২০ সেকেন্ড আগে আক্রমণ শুরু হওয়ার সময় মিসরের এক খেলোয়াড়ের পা আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ের ওপর পড়েছিল বলে ফাউল ধরা হয়।
আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল: ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা যখন ৩-২ গোলে জয়সূচক গোলটি করে (ম্যাচের পর যার উৎস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে)—তার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে পেনাল্টি বক্সে মিসরের তারকা খেলোয়াড় মোহামেদ সালাহ ফাউলের শিকার হয়েছিলেন। অথচ সেই ফাউলটির জন্য কোনো পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং ভিএআরও তা পর্যালোচনা করেনি।
বিশ্লেষকদের প্রতিক্রিয়া: এই বিষয়টি নিয়েই ইংলিশ কিংবদন্তি অ্যালান শিয়েরারসহ অনেক বিশ্লেষক মন্তব্য করেন—যেহেতু রেফারির দল অনেক পেছনে গিয়ে সামান্য ভুলের জন্য মিসরের গোল বাতিল করতে পারে, তবে নিয়ম রক্ষার স্বার্থে সালাহর ফাউলটিও বিবেচনা করা উচিত ছিল। হয় দুটিই ফাউল, অথবা কোনোটিই ফাউল নয়!
ম্যাচটিতে রেফারিং ও ভিএআর ব্যবহারের ক্ষেত্রে এমন অসঙ্গতি থাকার কারণেই বিশ্বজুড়ে খেলাটির বিশ্লেষক ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।