মুহাম্মদ খায়রুল বাশার

জেরুসালেমের ইসলামী পরিচয়কে মুছে ফেলার চক্রান্ত করা হচ্ছে। এর নাম ও অর্থকে ইসরাইলী ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার স্বার্থে নতুনভাবে ব্যবহার করার ষড়যন্ত্র এখন মোটামুটি পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

সম্প্রতি ‘মিডল ইস্ট আই’-এর একটি বিশেষ অনুসন্ধানে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদের ওপর থেকে জর্দানের তত্ত্বাবধান বাদ দেয়ার জন্যে সমন্বিতভাবে তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

এটি কোনো কূটনৈতিক কৌশল নয়। এটি অধিকৃত জেরুসালেমে ইসলামী উপস্থিতি মুছে ফেলার একটি পরিকল্পিত অভিযানের চূড়ান্ত প্রয়াস। ২০০ কোটিরও বেশি মুসলমানের এই পবিত্র স্থানটি ধ্বংস করার ইহুদি নীলনকশা বাস্তবায়নের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও মুসলিম বিশ্ব কি নীরব থাকবে?

পবিত্র আল-আকসা মসজিদসহ জেরুসালেমের মুসলিম ও খ্রিষ্টান পবিত্র স্থানগুলোর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে জর্দানের প্রতি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের স্বীকৃতি থাকা সত্ত্বেও, মিডল ইস্ট আই জানিয়েছেÑ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পবিত্র আল-আকসা মসজিদের ব্যাপারে ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থার প্রতি মাঝে মধ্যে মৌখিক সমর্থন জানালেও, তার কট্টর উগ্রবাদী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরকে আল-আকসা কমপ্লেক্সে বারবার অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সেই স্থিতাবস্থা নষ্ট করার সুযোগ দিয়েছেন। ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য পবিত্র স্থানে হামলা চালানো কোনো নতুন কৌশল নয়। ২০০০ সালে ইসরাইলী নিরাপত্তাবাহিনীর একটি বিশাল দল দ্বারা সুরক্ষিত সাবেক লিকুদ পার্টির নেতা এরিয়েল শ্যারনের একটি উসকানিমূলক সফর তাকে পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হতে এবং দ্বিতীয় ইন্তিফাদা উসকে দেয়ার বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী হতে সহায়তা করেছিল।

তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন বলে মনে হচ্ছে। জেরুসালেমের পবিত্র স্থানসমূহ বিশেষ করে আল-আকসা মসজিদের ওপর হাশেমীয়দের তত্ত্বাবধানের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হলে তা শান্ত ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে এই অঞ্চল এবং বিশ্বকে সঙ্ঘাতের পথে ঠেলে দেবে।

জানা গেছে, আল-আকসা মসজিদের ওপর জর্দানের তত্ত্বাবধানকে দুর্বল করার এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিষ্টান জায়নবাদীরা, এর মধ্যে ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও রয়েছেন। অবশ্য পরবর্তীতে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই খবর অস্বীকার করেন। হাকাবি এর আগে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ইসরাইল যদি নীলনদ থেকে ইউফ্রেটিস পর্যন্ত বিস্তৃত লাখ লাখ অধিবাসী অধ্যুষিত বিভিন্ন আরব দেশে ভূখণ্ড সম্প্রসারণ করে, তাতে তার কোনো আপত্তি নেই।

হাশেমীয়রা জেরুসালেমের মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের জন্য পবিত্র স্থানগুলো রক্ষা করতে ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। জেরুসালেমের মুসলিম ও খ্রিষ্টান পবিত্র স্থানগুলোর তত্ত্বাবধানের বিষয়ে বলতে গেলে হাশেমি রাজপরিবারের ঐতিহ্য স্মরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

হাশেমীয়রা মানবতার মুক্তি দূত বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর বংশধর। তাদের শিকড় প্রাক-ইসলামিক যুগে প্রোথিত। বনু হাশেম গোত্র মক্কার তীর্থযাত্রীদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তারা তীর্থযাত্রীদের খাদ্য সরবরাহ করতেন। ‘হাশেম’ মহানবী (সা.) এর প্রপিতামহের নাম। এই মহানুভব ও সম্ভ্রান্ত পরিবারটি এক সহস্রাব্দ ধরে মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোর যত্ন নিত।

আল-আকসা মসজিদকে পবিত্র কুরআনে মুহাম্মদ (সা.) এর মিরাজের স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যার চারপাশ আল্লাহর রহমত পরিবেষ্টিত। নবীর ঐতিহ্য অনুসারে এটি পবিত্র মক্কার কাবা শরিফ এবং মদিনা নগরীর মসজিদে নববীর পর তৃতীয় পবিত্র স্থান।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে তাকালে দেখা যায়, হাশেমিরা জেরুসালেমে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় অধিকার এবং তাদের পবিত্র স্থানগুলোর অখণ্ডতা সংরক্ষণ ও নিশ্চিত করার মাধ্যমে তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণ করে ছিল। এর সূচনা হয়েছিল ১৯১৭ সালে বাদশাহ হোসেন বিন আলীর প্রতি ধর্মীয় আনুগত্যের শপথ এবং ১৯২৪ সালে একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের (শপথ) মাধ্যমে।

১৯৮৮ সালে বাদশাহ হোসেন বিন তালাল যখন অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে জর্দানের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন, তখন তিনি বিশেষভাবে পূর্ব জেরুসালেমের পবিত্র স্থান এবং ওয়াক্ফ সম্পত্তিগুলোকে এর বাইরে রাখেনÑ যার ফলে হাশেমি তত্ত্বাবধান বজায় থাকে। বিষয়টি তিনি তখন পিএলওর সভাপতি ইয়াসির আরাফাতের সাথে সমন্বয় করেন। আরব ও মুসলিম বিশ্ব পবিত্র আল-আকসা মসজিদের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে আল-আকসা মসজিদে একজন অস্ট্রেলীয় উগ্রবাদী খ্রিষ্টান অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে হামলা চালালে ইসলামী সহযোগিতা পরিষদ-ওআইসি গঠিত হয়েছিল।

এবার আলোচনা করাযাক আল-আকসাকে নিয়ে নতুন মার্কিন-ইসরাইল ষড়যন্ত্র নিয়ে। তারা আল-আকসা মসজিদের ওপর জর্দানের ঐতিহাসিক তত্ত্বাবধানÑতথা ইসলামী কর্তৃত্ব বিলুপ্ত করে তদস্থলে ইসরাইলী সরকার দ্বারা তৈরি একটি সংস্থাকে প্রতিস্থাপনের জন্য কাজ করছে। তাদের পরিকল্পনা হলোÑ সেই নতুন সংস্থাটি আল-আকসাকে একটি ‘বহুধর্মীয় কেন্দ্র’ হিসেবে ঘোষণা করবে এবং ‘সমান প্রবেশাধিকার’ দেবে। এটি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলকে ইমাম এবং কর্মকর্তা নিয়োগের অনুমতি দেবে। শুক্রবারের খুতবার বিষয়বস্তুর ওপর ইসরাইলী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।

জাতিগত নির্মূলের একটি নীলনকশা: জাতিগত নির্মূলের নীলনকশা হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন চায় আল-আকসাকে তার ইসলামিক পরিচয় থেকে বের করে এনে এটিকে একটি পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে নতুন করে সাজানো হোক। সেখানে তিনটি ধর্মের লোকদেরই সমাগম ঘটবে। তাদের ভাষায় ‘আব্রাহামিক ধর্মসমূহ’ অর্থাৎÑ ইসলাম, ইহুদি ও খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারীদের জন্য এটিকে পর্যটন স্পষ্ট করা হবে। এটি নিছক কোনো প্রস্তাব নয়। এটি জাতিগত নির্মূলের একটি নীলনকশা।

এই পরিকল্পিত অভিযানের লক্ষ্য হলো জেরুসালেমকে তার মুসলিম পরিচয়, ইতিহাস এবং সেসব উপস্থিতি থেকে মুক্ত করা যা এই পবিত্র স্থানটিকে রূপ দিয়েছে। জর্দানের তত্ত্বাবধানের বর্তমান প্রক্রিয়া থেকে আল-আকসার মুক্ত করার প্রচেষ্টা নতুন নয়; বরং এটি হচ্ছে চলমান ইসরাইলী উপনিবেশবাদকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা।

বাস্তবতা হলোÑআল-আকসাকে ওয়াক্ফ এর অধীনে একটি ইসলামী পবিত্র স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার স্থিতাবস্থা ক্রমান্বয়ে নস্যাৎ করা, অর্থাৎÑ মুসলমানদের কাছ থেকে এর কর্তৃত্ব ও পরিচিতি কেড়ে নিয়ে ইসরাইলী উপনিবেশবাদী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার নোংরা প্রয়াস। এর প্রমাণ সুনির্দিষ্ট এবং প্রতি বছর তা নথিভুক্ত হয়ে বেড়েই চলেছে।

ইসরাইলী পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইরআমিমের ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদনে আল-আকসা চত্বরে ইহুদিদের অভিযান নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গেছে বলে নথিভুক্ত করা হয়েছে। গবেষক এভিভ তারাস্কি বলেন, ‘ইহুদি ধর্মীয় সম্পর্কের ছদ্মাবরণে ইসরাইল ধীরে ধীরে আল-আকসার পবিত্র স্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে।

একসময় আল-আকসায় শুক্রবারের জুমার নামাযের জন্য লাখ লাখ মানুষ আসত। এখন ইসরাইলী বিধিনিষেধ এবং মুসলমানদের ওপর হয়রানির কারণে দৈনিক নামাযের জন্য মাত্র কয়েক হাজার এবং কখনো কখনো কয়েক শ’ লোক দেখা যায়। আল-আকসায় কারা প্রবেশ করবে এবং কারা বের হবেÑ সে ব্যাপারে ইসরাইল ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করায়ত্ত করে নিয়েছে।

চলতি বছর ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আল-আকসায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ৩০ জন ওয়াক্ফ কর্মচারীর প্রবেশাধিকারের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে এবং ছয়জন ইমামকে তাদের খুতবা প্রদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে। আল-আকসার সিনিয়র ইমাম একরিমা সাবরি তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এগুলো হলো আধিপত্য চাপিয়ে দেয়ার জন্য ‘নজিরবিহীন পদক্ষেপ’। এক সময় আমরা আল-আকসা বিপদাপন্ন বলে সতর্ক করেছি, এখন আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে এটি অনেক বেশি বিপদের সম্মুখীন। গত মাসে ইসরাইলী মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ব্যাপকভাবে আল-আকসায় প্রবেশের পরিকল্পনা করেন।

একজন ইসরাইলী আইন প্রণেতা প্রকাশ্যে আল-আকসা ভেঙে সেখানে একটি ইহুদি মন্দির নির্মাণের আহ্বান জানান। আকসা চত্বরের ভেতরে ইসরাইলী পতাকা উত্তোলন করা হয়।

একই সময়ে, ইসরাইল জেরুসালেমের পুরাতন শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ পথ চেইন গেট সড়কের কাছে ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়েছে। এটি জেরুসালেমের ক্রমবর্ধমান ইহুদিকরণেরই একটি অংশ।

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধের সময় আটটি আরব ও ইসলামী রাষ্ট্র আল-আকসা বন্ধ করে দেয়ার নিন্দা জানিয়েছিল। এই সময়ে আল-আকসা ৪০ দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এটি ছিল ঔপনিবেশিক আধিপত্যের একটি কাজ, যা মুসলিমদের পবিত্র স্থানকে দখলদারদের খেয়াল খুশির অধীন করে দিয়েছিল। এই মুহূর্তে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় হুমকি শুধু ইসরাইলী আগ্রাসনই নয়; বরং এটি হলো তাদের উদাসীনতা, বিভাজন এবং প্রাতিষ্ঠানিক পক্ষাঘাত।

মুসলমানদের জন্যে আল-আকসা কোনো উত্তরাধিকার স্থান নয়, যা কূটনৈতিক বিবৃতির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এটি প্রথম কেবলা, বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.) এর মিরাজ ও ঊর্ধ্ব গমনের স্থান, পবিত্রতম মসজিদ এবং ইসলামী পরিচয় ও সত্যতার এক জীবন্ত কেন্দ্রবিন্দু। এর অবমাননা কেবল একটি ভূরাজনেতিক উসকানি নয়। এটি ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাতে।

তবুও মুসলিম বিশ্ব দেখে, বিবৃতি দেয় এবং আবার নীরব হয়ে যায়। যে সরকারগুলো প্রকৃত অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে পারত, তারা নিজেদের স্বার্থ হিসাব করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। যে উম্মাহ রাজপথে প্রতিবাদের ঝড় তুলতে পারত; তারা তার পরিবর্তে স্ক্রল করে চলে যায়।

মুসলিম বিশ্বের বাইরের মানুষদের জন্যে এর পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর। যা উন্মোচিত হচ্ছে তা হলো ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মর্যাদাবান একটি স্থানের ওপর ঔপনিবেশিক সার্বভৌমত্বের আনুষ্ঠানিক রূপদান।

আরব মানবাধিকার সংস্থা এই লঙ্ঘন ও সহিংসতাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রেকর্ড বা নথিভুক্ত করেছে। তথা বিশ্ববাসী বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেছে। এই নীরবতা নিরপেক্ষতা নয়, এটি হচ্ছে অপরাধের প্রতি সমর্থন ও অংশীদারিত্ব।

শেষ মুহূর্ত এসে গেছে। এখন আর পেছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই। মুসলিম বিশ্ব এবং যারা এই অন্যায় পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে তাদেরকে অবশ্যই অবিলম্বে কূটনৈতিক, আইনি, অর্থনৈতিক, নৈতিকÑসব ধরনের উপায় অবলম্বন করে সোচ্চার হতে হবে। মুসলিম বিশ্বকে জাগিয়ে তুলতে হবে, গর্জে ওঠতে হবে। যদি এখন বিবেক ও দৃঢ়বিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে গর্জে ওঠে সঠিক পদক্ষেপ না নেয়া হয়, তাহলে আল-আকসায় জায়নবাদী উচ্ছেদ অভিযান সম্পূর্ণ হবে এবং ইহুদিদের স্বপ্ন পূরণ হবে।

লেখক: সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে।