বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বরিশালে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নবখননকৃত সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে পৌঁছান তিনি।
এসময় তিনি পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিনি নারিকেল, পেয়ারা ও আমড়া গাছের চারা রোপন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা-ভাঙ্গা ওয়ের মাদারীপুরের শিবচর অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী একনজর দেখতে ও শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান নেন তারা।
সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৬টার পর সড়কপথে তিনি গুলশানের বাসা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন। এ উপলক্ষে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা পাচ্চর গোলচক্কর এলাকায় মহাসড়কের পাশে জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন।
সকাল সাড়ে ৬টা থেকেই মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে একঝলক দেখার অপেক্ষায় থাকেন।
দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রী বরিশালে এসে পৌঁছালে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতা রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী নগরীর ত্রিশ গোডাউন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশালের নেতাকর্মীদের সাথে মত বিনিময়ে মিলিত হন। এর আগে গৌরনদী থেকে বরিশাল আসার সময় বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন এবং সেনা সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে উন্নয়ন বঞ্চিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আষাঢ় সঞ্চার হয়েছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে জন প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন দাবি দেওয়া উপস্থাপন করার পরেও উন্নয়নের ব্যাপারে তেমন কোনো রোডম্যাপ পাওয়া যায়নি। যার ফলে বিএনপি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে কিছুটা হতাশা লক্ষ্য করা গেছে।